<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
  <channel>
    <title>DSpace Collection:</title>
    <link>https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7197</link>
    <description />
    <pubDate>Thu, 30 Apr 2026 12:13:23 GMT</pubDate>
    <dc:date>2026-04-30T12:13:23Z</dc:date>
    <item>
      <title>মার্কসবাদ ও তার সমকালীন পর্যালোচনা</title>
      <link>https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7225</link>
      <description>Title: মার্কসবাদ ও তার সমকালীন পর্যালোচনা
Authors: পাল, সন্তোষ কুমার
Description: PP: 1-30</description>
      <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 00:00:00 GMT</pubDate>
      <guid isPermaLink="false">https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7225</guid>
      <dc:date>2024-08-01T00:00:00Z</dc:date>
    </item>
    <item>
      <title>শিক্ষার লক্ষ্য : শ্রী অরবিন্দ ও শ্রীমৎ অনির্বাণ</title>
      <link>https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7224</link>
      <description>Title: শিক্ষার লক্ষ্য : শ্রী অরবিন্দ ও শ্রীমৎ অনির্বাণ
Authors: রায়, সুনীল
Description: PP: 31-40</description>
      <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 00:00:00 GMT</pubDate>
      <guid isPermaLink="false">https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7224</guid>
      <dc:date>2024-08-01T00:00:00Z</dc:date>
    </item>
    <item>
      <title>বৈদিক ধর্মাচারের অঙ্গরূপে যজ্ঞ : একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা</title>
      <link>https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7223</link>
      <description>Title: বৈদিক ধর্মাচারের অঙ্গরূপে যজ্ঞ : একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা
Authors: হাইত, শান্তনু কুমার; গুপ্ত, পাপিয়া
Abstract: বৈদিক যুগে ধর্মাচারের একটি অত্যাবশ্যক অঙ্গ হল যজ্ঞ কর্মানুষ্ঠান, যা ভারতীয় সংস্কৃতিতে আধ্যাত্মিক অনুশীলনের ক্ষেত্রে পালিত হয়ে থাকে। প্রাচীন বৈদিক ঋষিগণ উপলব্ধি করেছিলেন, মানুষের জীবনে এমন এক আধ্যাত্মিক শক্তি বিকশিত হওয়া প্রয়োজন, যা একদিকে তার জীবনের সর্বোত্তম আদর্শের অভিমুখে চালিত করার প্রেরণা স্বরূপ হবে, তেমনই হবে তার ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনের সামগ্রিক রূপান্তরকে প্রভাবিত করনে সক্ষম। ঋষিগণ কর্তৃক অনুসৃত এই আধ্যাত্মিক বিধি পালনের প্রধান মাধ্যম হলো, যথাযথ মন্ত্র উচ্চারণ পূর্বক আত্মাহুতি বা আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে ব্যক্তি এবং ঈশ্বরের মধ্যে পারস্পরিক প্রদান তথা প্রাপ্তি। যজ্ঞের পবিত্র অগ্নিতে দেবগণের উদ্দেশ্যে ব্যক্তি তার যাবতীয় প্রিয়বস্তু ত্যাগের মাধ্যমে মানসিক সংকীর্ণতা অতিক্রম করে একাত্মবোধে জারিত হন, গড়ে উঠে বিশ্বগতভাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বাতাবরণ। বৈদিক ধর্মভাবনা বস্তুতঃপক্ষে রূপগত ও আচরণগত ভাবে প্রাচীন হলেও তার প্রয়োগগত এবং উপযোগিতামূলক প্রেক্ষিতটি দেশ ও কালের সীমা অতিক্রম করে যুগ নিরপেক্ষ ভাবে বিভেদের মাঝে ঐক্য স্থাপন করেছে।
Description: PP: 41-58</description>
      <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 00:00:00 GMT</pubDate>
      <guid isPermaLink="false">https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7223</guid>
      <dc:date>2024-08-01T00:00:00Z</dc:date>
    </item>
    <item>
      <title>মনোবিদ্যা থেকে বর্ণনাত্মক প্রভাসতত্ত্বে উত্তরণ : একটি অনুসন্ধান</title>
      <link>https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7222</link>
      <description>Title: মনোবিদ্যা থেকে বর্ণনাত্মক প্রভাসতত্ত্বে উত্তরণ : একটি অনুসন্ধান
Authors: হক, সেখ আমিরুল; দে, তপন কুমার
Abstract: জার্মান দার্শনিক এডমুণ্ড গুসতাভ আলব্রেট হুসার্ল ইউরোপীয় দর্শন চিন্তায় প্রভাসতাত্ত্বিক তত্ত্বের অবতারনা করে দর্শনের জগতে এক অভিনব দিগন্তের সূচনা করেছেন। প্রভাসতাত্ত্বিক পদ্ধতির সাহায্যে তিনি যেমন চেতনার বিশ্লেষণ করেছেন, তেমনি দর্শন চিন্তাকে পূর্ব প্রতিষ্ঠিত দার্শনিক তত্ত্বের প্রভাব মুক্ত করতে চেয়েছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল দর্শনকে পূর্ব স্বীকৃতিশুন্য ও কঠোর বিজ্ঞানরূপে প্রতিষ্ঠিত করা। কাণ্টীয় দর্শনের উত্তরকালে দর্শন চিন্তা যে বহুমুখী রূপ ধারন করে দর্শনের জগতকে সমৃদ্ধ করেছে তাদেরই একটি অন্যতম দিক প্রভাসতাত্ত্বিক দর্শন। চিন্তাবিদ্রা এই দর্শন চিন্তাকে দুটি শাখায় বিভক্ত করেছেন যথা, বিশ্লেষনী দর্শন এবং মহাদেশীয় দর্শন তথা হুসালীয় প্রভাসতাত্ত্বিক দর্শন।&#xD;
হুসার্ল যে প্রভাসতাত্ত্বিক দর্শনের অবতারণা করেছেন, বলা ভালো প্রভাসতাত্ত্বিক দর্শনের যে রূপ আমরা হুসার্লের দর্শনে পাই তা প্রথম দিকে হুসার্লীয় চিন্তার বিষয় ছিল না। বরং প্রথম দিকে হুসার্ল গণিতবিদ্যার চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। ব্রেন্টানোর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে মনোবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে গাণিতিক বিষয়ের আলোচনার প্রচেষ্টা হুসার্লকে মনোবৈজ্ঞানিকতাবাদের সমর্থক করে তুলে। পরবর্তীকালে মনোবৈজ্ঞানিকতাবাদের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করে তিনি বর্ণনামূলক মনোবিদ্যা এবং বর্ণনামূলক মনোবিদ্যা থেকে বর্ণনাত্মক প্রভাসতত্ত্বে উত্তরণ করেন। বর্ণনামূলক প্রভাসতত্ত্বের মাধ্যমে তিনি শুদ্ধ প্রভাসতাত্ত্বিক চিন্তা তথা 'Pure Phenomenology'-র বিষয়টি দর্শনচিন্তার কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। তাঁর এই চিন্তার বিবর্তনের কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল প্রভাসতাত্ত্বিক বন্ধনীকরণ পদ্ধতি, যার সাহায্যে তিনি শুদ্ধ চেতনায় পৌঁছাতে চেয়েছেন। সেই জন্য অনেকে প্রভাসতত্ত্বকে চেতনার দর্শন বলে অভিহিত করেন। এই শুদ্ধ চেতনার সাহায্যে হুসার্ল জগতের অর্থ প্রদানের বিষয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রবন্ধে হুসার্লের যে বিশাল দার্শনিক চিন্তার বিবর্তন ধারা রয়েছে তার একটি অংশ উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। অর্থাৎ আমাদের অনুসন্ধানের বিষয় হবে হুসার্ল কিভাবে গাণিতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মনোবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অভ্যস্ত হলেন এবং একই সঙ্গে কিভাবে মনোবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বর্ণনাত্মক প্রভাসতত্ত্বে তাঁর চিন্তার উত্তরণ ঘটলো।
Description: PP: 59-80</description>
      <pubDate>Thu, 01 Aug 2024 00:00:00 GMT</pubDate>
      <guid isPermaLink="false">https://ir.vidyasagar.ac.in/jspui/handle/123456789/7222</guid>
      <dc:date>2024-08-01T00:00:00Z</dc:date>
    </item>
  </channel>
</rss>

